এফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্সঃ 30,000/- কোর্স [সম্পূর্ণ ফ্রি]

প্রিয় বন্ধুরা, আপনাদের সকলকে আমার এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্সে স্বাগত জানাচ্ছি। আমি আমার এই কোর্সটি একেবারে বিগিনার লেভেল থেকে শুরু করছি যাতে করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে যার জ্ঞান একেবারে শূন্য সেও যেন খুব সহজেই এ সম্পর্কে জানতে পারে।

 

কোর্সটি কাদের জন্য?

আমার এই কোর্সটি তাদের জন্য যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে একটি শক্ত ক্যারিয়ার গড়তে চান। এই কোর্সটি তাদের জন্য নয় যারা অনলাইনে বিভিন্ন অবৈধ পন্থায় অল্প কিছু আয় করতে পারলেও সন্তুষ্ট এর কারণ হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি বৈধ, সুন্দর বিজনেস যার মাধ্যমে আপনি অনেক টাকা আয় করতে পারবেন।

 

তাই আপনার টার্গেট যদি খুব সীমিত হয় তাহলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য নয়। একই সাথে আপনার টার্গেট বড় হলে আপনি কাজটি ও সেইভাবে গুরুত্ব সহকারে করবেন এর কারণ হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের প্রথমদিকে কিছুটা ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয় আর এই ধৈর্যের পরিচয় দিতে ব্যর্থ হলে আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হওয়ার একটা দুরূহ ব্যাপার হয়ে যাবে।

 

তাই আবারও বলছি এই কোর্সটি তাদের জন্য যারা অনলাইনে একটি সুন্দর এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় ক্যারিয়ার গড়তে চান এবং সাথে সাথে এ ক্যারিয়ার গড়ার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করতেও আগ্রহয়।

 

পরিশ্রমী ও স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন এমন মানুষদেরকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্সটিতে স্বাগতম।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স

এখন আর কথা না বাড়িয়ে একে একে কোর্সটির ক্লাসগুলো শুরু করা যাক।

 

ক্লাস ১ঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন করবেন?

কোর্সটির শুরুতেই জেনে নিন যে এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন শুরু করা উচিৎ। পোস্টটি দেখলে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার যথেস্ট কারন খুঁজে পাবেন।

 

ক্লাস ২ঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার কারন তো খুঁজে পেলেন, কিন্তু এ সম্পর্কে এখনো হয়তো খুব ভালভাবে জানেন না তাই তো?

 

ঠিক আছে তাহলে এই গাইড থেকে জেনে নিন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি। আশা করি এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানার আর কিছু আপনার বাকি থাকবে না।

 

ক্লাস ৩ঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন অন্যান্য অনলাইন বিজনেস থেকে সেরা?

এ বিষয়টি বুঝতে গেলে নিচের ৩ টি পার্ট দেখুনঃ

ফ্রিল্যান্সিং নাকি এফিলিয়েট মার্কেটিং!

এ ব্যাপারে গতানুগতিক কিছু না বলে আমি আমার কথাই তুলে ধরি যে কেন আমি ফ্রিল্যান্সিং ছেড়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করেছিলাম।

 

আমি ফ্রিল্যান্স রাইটার হিসেবে ওডেস্কে (এখন যেটা ইল্যান্স এর সাথে মার্জ হয়ে আপওয়ার্ক হয়েছে) আমার অনলাইন ক্যারিয়ার শুরু করি। আমি আমার বিভিন্ন ক্লায়েন্টকে আর্টিকেল ও ব্লগ পোস্ট লিখে দিতাম এবং এর বিনিময়ে তারা আমাকে পে করতো।

 

তো এভাবে কিছুদিন কাজ করার পর আমি চিন্তা করলাম যে কখনো যদি আপওয়ার্ক না থাকে বা আমার আইডি যদি কোনো কারণে ব্যান হয়ে যায়, তবে আমার এতদিনের রেপুটেশন, শ্রম সবই কি বৃথা যাবে!!! এছাড়াও প্রথমে ১০% ও পরবর্তীতে ২০% চার্জ ওই মার্কেটপ্লেস এই কেটে যেত।

 

তাই আমি আমার নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট খুললাম যেখানে আমি আমার বিভিন্ন সার্ভিস প্রোভাইড করতে লাগলাম।

 

এরপর একবার ঢাকায় ২৬ দিনের ট্যুরে গেলাম এবং আমার ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা একদম বন্ধ হয়ে গেলো কারণ এবাড়ি, সেবাড়ি দাওয়াত খেতে খেতে আর কাজ করা হয়ে উঠতো না।

 

তখন থেকে চিন্তা হলো এমন কি কাজ করা যায় যেখানে আমি কিছুদিন কাজ না করলেও আমার আয় হতে থাকবে আর তখন প্যাসিভ ইনকাম এর আইডিয়া মাথায় এলো।

 

দেখলাম যে অনেক ওয়েবসাইটের মালিকরা বিভিন্নভাবে তাদের ব্লগ সাইট থেকে আয় করছে ও একইসাথে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা এটা করতে পারছে কারণ তাদের সাইট থেকে নিয়মিত আয় হচ্ছে যদিও তারা নিয়মিত কাজ করছে না।

 

কিন্তু আমার ক্ষেত্রে তো আমাকে আমার ক্লায়েন্টের কাজ জমা দিয়ে তারপর আয় করতে হচ্ছে।

 

তো তারা প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করছিলো?

 

হ্যা, তাদের অধিকাংশই এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাদ্ধমে এমন একটি স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়তে সক্ষম হয়েছিল। তো আমিও তাদের মতো স্বপ্ন দেখতে ও একই সাথে কাজ করা শুরু করলাম।

 

বলে রাখি আমি যখন ফ্রিল্যান্সিং থেকে প্যাসিভ ইনকামের দিকে ক্যারিয়ার শিফট করছিলাম তখন কিন্তু আমার ফ্রিল্যান্সিং থেকে প্রতি মাসে প্রায় হাজারখানেক ডলার আয় হতো। তারপরও এই হাজারখানেক ডলার আয় করতে আমাকে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হতো।

 

তাই সবকিছু চিন্তা করে আমি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কমাতে লাগলাম ও এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য আমার সাইট প্রস্তুত করতে লাগলাম।

 

আমার সাইটে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আর্টিকেল লিখতাম ও SEO-র মাদ্ধমে তা গুগলের ফার্স্ট পেইজে নিয়ে আসতাম। এভাবে অনেক আর্টিকেল গুগলের প্রথম পেইজে নিয়ে এলাম।

 

বিভিন্ন দেশের অজস্র ভিজিটর গুগলে সার্চ করে আমার সাইটে আসতে থাকলো ও আমার সাইট থেকে বিভিন্ন এফিলিয়েট প্রোডাক্ট কেনা শুরু করলো। এভাবে আমার এফিলিয়েট ইনকাম দিনকে দিন বাড়তে থাকলো।

 

এরপর আমি এডসেন্স এর জন্য এপলাই করলাম ও আমার এডসেন্স একাউন্ট কিছুদিনের মধ্যে পেয়ে গেলাম।

 

আমার এডসেন্স কোড ব্যবহার করে তা থেকেও আয় করতে থাকলাম।

 

আমার সাইট থেকে আরো একটি উপায়ে আয় করা শুরু করলাম যার নাম স্পন্সরড পোস্ট।

 

বিভিন্ন কোম্পানি আমাকে তাদের প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন আমার পোস্টে দেওয়ার জন্য রিকোয়েস্ট করা শুরু করলো ও তার বিনিময়ে তারা আমাকে ৫০ থেকে ১০০ ডলার করে দেওয়ার জন্য রাজি হলো।

 

এভাবে আমি বিপুল পরিমান আয় করা শুরু করলাম।

 

তো আমার আয়ের প্রায় পুরোটাই প্যাসিভ ইনকাম যার মানে হলো আমি আমার সাইটের জন্য কাজ করি আর আমার আয় করার জন্য কাউকে কোনো কাজ করে দেওয়া লাগে না।

 

অটোম্যাটিক মানি জেনারেট হতে থাকে।

 

একটি এফিলিয়েট সাইট ঠিকমতো গ্রো করতে পারলে আর টাকা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না!

 

তো বাংলাদেশে যারা অনলাইনে আয় করতে চায় তাদের মূল সমস্যা হলো দিনমুজুরী টাইপের মানসিকতা। অধিকাংশই চায় যে কেউ তাদেরকে দিয়ে কিছু করিয়ে তাদেরকে কিছু টাকা দিক তা যত কমই হোক না কেন।

 

তাদের মেন্টালিটি হলো আজই আমার কিছু আয় করতে হবে সেটা যত নগণ্যই হোক না কেন।

 

কিন্তু তারা যদি একটু বড় চিন্তা করতে পারতো তবে সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়তে পারতো যেখানে চিন্তা থাকতো না একাউন্ট ব্যান হবার বা ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে কাজ পাবার।

 

তারা নিজেরাই হতে পারতো তাদের বস, ঠিক আমার মতো!

 

এডসেন্স নাকি এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন!

অনেকেই এই দ্বিধাদন্দে পড়ে যান যে কোনটি করবেন? আসলে দুটি উপায়েই অনলাইনে আয় করা যায়, তবে এডসেন্সের পেমেন্ট তুলোনামূলকভাবে এফিলিয়েট কমিশন থেকে অনেক কম হওয়ায় অনেকেই এফিলিয়েট মার্কেটিং করতেই পছন্দ করেন।

 

এডসেন্সের মাধ্যমে একটি সাইট থেকে একটি ভালো পরিমাণের আয় করতে হলে বিপুল পরিমাণ ট্রাফিক ওই সাইটে আনতে হয় যা অনেক কস্টসাধ্য ও সময়ের ব্যাপার।

 

তাছাড়া এডসেন্স একাউন্ট ব্যান্ড হবার ভয়তো আছেই। তাই এডসেন্স থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং অনেক বেটার।

 

ই-কমার্স বিজনেস নাকি এফিলিয়েট মার্কেটিং!

ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে অনেক অনেক ইনভেস্টমেন্ট দরকার হয় কারন আপনাকে আপনার সাইট রেডি করার পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য মজুদ করে রাখতে হয়। আর এ ব্যবসায় পণ্য নস্ট হবারও ভয় আছে কারন পণ্যগুলো আপনার নিজের।

 

অপরদিকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এ যেহেতু কোন পণ্য মজুদ বা তৈরি করার টেনশন থাকে না, তাই শুধুমাত্র আপনার সাইট গ্রো করলেই ৯০% কাজ হয়ে যায়।

 

এ থেকে বোঝা যায় যে এফিলিয়েট মার্কেটিং ই-কমার্স বিজনেস থেকে অনেক বেশি সাচ্ছ্যন্দময়।

 

ক্লাস ৪ঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কিত বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর!

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি বৈধ?

হ্যা, এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পূর্ণ বৈধ কারন এটি বিভিন্ন প্রডাক্ট প্রোমোট করার সাথে সম্পর্কিত। আপনি যদি বৈধ প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করেন আর আপনার প্রডাক্ট প্রোমোশনের ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় না নেন, তবে এটি অবৈধ হবার কোন কারনই নেই।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি হালাল?

অনেকেই ইসলামিক দৃষ্টিকোন থেকে এই প্রশ্নটি করেন আর তাদের একই কথা বলছি। আপনি যদি লিগ্যাল প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করেন আর আপনার অডিয়েন্সের সাথে ছলচাতুরী না করেন, তবে এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে হালাল ব্যবসা আর দ্বিতীয়টি নেই। তাই এটুকু জেনে নিশ্চিত থাকুন যে এ ব্যবসাটি ১০০% হালাল।

 

কত বছর বয়সে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করা যায়?

এর কোন ধরাবাঁধা বয়স নেই। আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার জানলেই এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারেন, তবে টাকা উঠানোর ক্ষেত্রে অনেক সময় ১৮ বছর হতে হয়। তাই ১৮ বছর বয়সের যে কেউই এ কাজটি শুরু করতে পারেন।

 

এফিলিয়েট কমিশন এর পরিমান কেমন হয়ে থাকে?

এটি নির্ভর করে আপনি কোন মার্চেন্ট এর প্রডাক্ট আর কোন ধরণের এফিলিয়েট মডেল নিয়ে কাজ করছেন তার ওপর। সিপিসির ক্ষেত্রে ২০ সেন্ট থেকে শুরু করে রেভিনিউ শেয়ারিং মডেলে ১০০ – ১৫০ ডলারের অজস্র কমিশন আছে।

 

ফিজিক্যাল প্রডাক্টগুলোতে কমিশন সর্বচ্চ ১০ – ১১% এবং ডিজিটাল প্রডাক্টের ক্ষেত্রে ৫০% থেকে ১০০% পর্যন্ত কমিশন পাওয়া যায়।

 

এফিলিয়েট কমিশন কি সত্যি সত্যিই পাওয়া যায়?

অবশ্যই। এখানে আমার কিছু কমিশনের স্ক্রিনশট দেখুনঃ

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে কি ফুলটাইম ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব বা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত আয় করতে পারেন?

আসলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনেক টাকা আয় করা যায় এবং এটি ভালোমত করতে পারলে আপনার আর অন্য কোন কাজ করার দরকার পড়বে না। যেমন আমি ফ্রিল্যান্সিং ছেড়ে এখন ফুল্টাইম এফিলিয়েট মার্কেটিং করি।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কি কি জিনিস শিখতে হবে?

শেখার শেষ নাই আর এ কথাটি অনলাইন বিজনেসের ক্ষেত্রে খুবই মানাসই কারন প্রতিনিয়ত বিভিন্ন টুলস আপডেট হচ্ছে ও নতুন নতুন প্রডাক্ট বাজারে আসছে। তাই আপনাকে নিয়মিত শিখতে হবে।

 

তবে কিছু ফান্ডামেন্টাল জিনিস যা আপনাকে অবশ্যি শিখতে হবে তা হলঃ ১) ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার ২) এসইও ৩) কন্টেন্ট তৈরি করা এবং ৪) অন্যান্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর কিছু টেকনিক্স।

 

আমার এই কোর্সটিতে আপনি একে একে সব শিখতে পারবেন তাই দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কেন সকল ধরণের ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে হয়?

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে গেলে বেশি বেশি ট্রাফিক নিশ সাইটে আনতে হয় আর ট্রাফিক জেনারেট করতে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হয়।

 

তাছাড়া সেলস জেনারেট করতেও ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যবহার রয়েছে। আসলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি শাখা আরেকটির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এ কারনে সকল ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং শিখলে এফিলিয়েট মার্কেটিং এ খুব ভাল করা যায়।

 

ইংলিশ ভালো না জানলে কি এফিলিয়েট মার্কেটিং করা সম্ভব?

হ্যা সম্ভব। সেক্ষেত্রে আপনাকে ভাল ইংলিশ পারে এমন কাউকে দিয়ে আর্টিকেল লেখাতে হবে।

 

বাংলা ভাষায় কি এফিলিয়েট মার্কেটিং করা সম্ভব?

হ্যা সম্ভব। এখন অনেক দেশি কম্পানিই তাদের সাইটে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম যুক্ত করেছে। এছাড়াও আপনি বিদেশি কম্পানির বিভিন্ন প্রডাক্ট বাংলা ভাষাতে প্রোমোট করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে দেখতে হবে যে আপনার প্রোমোট করা প্রডাক্টটি আপনার দেশে মার্চেন্ট কমিশন দিচ্ছে কিনা।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কি কি জিনিস প্রয়োজন?

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জিনিস যা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজন হয় তার লিস্টঃ

১) এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান

২) ধৈর্য

৩) ল্যাপ্টপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার

৪) ইন্টারনেট কানেকশন

৫) ওয়েবসাইট ইত্যাদি

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে কত টাকা খরচ হয়?

এটি নির্ভর করছে আপনার ডিভাইস, ওয়েবসাইট, ও মার্কেটিং বাজেটের ওপর। কম্পিউটার ২০০০০ – ৩০০০০ টাকা, ওয়েবসাইট ৩০০০ থেকে ১০০০০ টাকা, মার্কেটিং বাজেট ৫০০০ থেকে ৭০০০ টাকা ইত্যাদি।

 

আপনার যদি আগে থেকেই একটি কম্পিউটার থেকে থাকে তবে এর খরচটি বাদ দিন। তাহলে ওয়েবসাইট এর খরচটিই একমাত্র খরচ হতে পারে কারন অনেকেই শুরুতে কোন পেইড মার্কেটিং এ যান না। আর একটি ওয়েবসাইট ৩০০০ থেকে ১০০০০ টাকায় তৈরি করা যায় যার মেয়াদ ১ বছর।

 

তুলনামূলকভাবে অন্যান্য অনেক ব্যবসা থেকে এ ব্যবসা শুরু করতে খুব একটা পুঁজির দরকার হয় না।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং নারীদের জন্য কেমন?

নারীদের জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং খুবই পারফেক্ট একটি পেশা হতে পারে যদিও আমাদের দেশে অনেক কম সংখ্যাক মেয়েরাই এটিকে পেশা হিসেবে নেয়। এটির কারন হতে পারে তাদের কম ধৈর্যের পরিচয়।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে প্রতিদিন কত সময় দিতে হয়?

এটি নির্ভর করে আপনি কোন স্টেইজে আছেন আর আপনি কি এটি ফুল্টাইম না পার্ট-টাইম করবেন তার ওপর। আপনার যদি উল্লেখযোগ্য সংখ্যাক কন্টেন্ট সাইটে পাব্লিশ করা হয়ে যায় তবে আপনার খুব অল্প সময় দিলেও চলবে।

 

আমি যেহেতু ফুল্টাইম এফিলিয়েট মার্কেটিং করি তাই এর শুরুর দিকে দৈনিক ৮ – ১০ ঘন্টা সময় দিতাম আর এখন মাত্র ৩ – ৪ ঘন্টা কাজ করা হয়। তবে একটি মজার ব্যাপার হল কাজ করতে কোন বোরিং ফিল হবে না যখন আপনি এর রিটার্ন পাওয়া শুরু করবেন।

 

চাকরি বা পড়াশুনার পাশাপাশি কি এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়?

অবশ্যই। অধিকাংশ চাকুরিজিবিরা চাকরির বাইরে আর কিছু করতে পারেন না কাজে ব্যস্ততার কারনে। যেহেতু এফিলিয়েট মার্কেটিং যেকোন যায়গায় বসে করা যায়, তাই আপনি আপনার কাজের ফাকেই খুব সহজে এটি করতে পারবেন।

 

আর যদি কিছু টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন, তবে অন্যদের দিয়ে আপনার এফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেসটিও চালিয়ে নিতে পারবেন।

 

চাকরি থেকে রিটায়ারমেন্টের পর কি এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করা যাবে?

যেহেতু এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার কোন বয়স নেই, তাই রিটায়ারমেন্ট কোন বড় বাধা নয়। আপনার ইচ্ছাটাই এখানে আসল। আমি ইতোমধ্যে অনেক রিটায়ার্ড পারসনকে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করিয়েছে।

 

বাংলাদেশে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তা কেমন?

আমাদের দেশে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তা এখন ব্যাপক আর এর কারন হল অনেকেই এখন বুঝে গেছে যে ক্লিক ও এড ভিউ ব্যবসা ইত্যাদি হল অবৈধ।

 

তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কম্পেটিশন বেড়ে যাওয়া, আপওয়ার্কে ব্যাপক পরিমানে একাউন্ট সাস্পেন্ড ও নতুন একাউন্ট এক্সেপ্ট না করা ইত্যাদি কারনে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রতি ঝোঁক দিনে দিনে বেড়েই চলেছে।

 

আর প্যাসিভ ইনকামের উপকারিতা জানার ফলে এর প্রতি মানুষের আকর্ষণের শেষ নেই কারন সময়, অর্থ, ও ভ্রমণের স্বাধীনতা কে না চায়!

 

ক্লাস ৫ঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন তার গাইডলাইন (আপডেট)

সিপিএ মার্কেটিং নাকি রেভিনিউ শেয়ারিং কোন এফিলিয়েট মার্কেটিংটি করবেন?

এখন আমি সিপিএ মার্কেটিং নাকি রেভিনিউ শেয়ারিং মডেল কোনটি করবেন সেটি নিয়ে আলোচনা করব। এই ব্যাপারটি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে গেলে আগেই আমার সিপিএ মার্কেটিং এবং রেভিনিউ শেয়ারিং মডেলটি কি সেটি কে আবার একটু ঝালাই করে নিতে হবে তাহলে আপনি জিনিসটা সহজে বুঝতে পারবেন।

 

সিপিএ মার্কেটিং হলো কস্ট পার একশন তারমানে মার্চেন্টের বলে দেওয়া নির্দিষ্ট একশন এর জন্য আপনি কমিশন পাবেন। যেমন মার্চেন্ট হয়তো আপনাকে বলে দিতে পারে যে আমার জন্য লিড জেনারেট করতে পারলে তোমাকে এই পরিমাণ কমিশন দেওয়া হবে এবং এই কমিশনের পরিমাণ কিন্তু খুবই সামান্য হয়। এর কারণ হলো যে সি পি এ মার্কেটিং এ কিন্তু আপনি মার্চেন্ট এর জন্য কোন সেল নিয়ে আসতে পারছেন না। এটলিস্ট সরাসরি সেল আনতে পারছেন এটি বলা যায় কারণ আপনি শুধু একটি সেলের প্রক্রিয়া হয়তোবা সৃষ্টি করে দিচ্ছেন এজন্য মার্চেন্ট একটি সেফ সাইডে থাকার জন্য আপনাকে খুবই সামান্য একটি কমিশন দিবে।

 

তবে সিপিএ মার্কেটিং এ রেভিনিউ মডেলের থেকে অধিক সহজে ও বেশি বার কমিশন পাওয়া যায়। এর কারণ হলো কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করার থেকে কোন ফর্ম ফিলাপ করানো অনেক বেশি সহজ বা কোন একটি সেল করার থেকে কোন একটি বুকিং করানো অনেক বেশি সহজ। তো এই অর্থে অনেক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার সিপিএ মার্কেটিং এর দিকে ঝোঁকে।

 

কিন্তু সিপিএ মার্কেটিং এ যেহেতু কমিশন খুবই সামান্য হয় সে কারণে অনেকের কাছেই এটি খুব বেশি মনে ধরে না।

 

অপরদিকে রেভিনিউ শেয়ারিং মডেলে কমিশনের পরিমাণ কিন্তু তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি হয় কারণ রেভিনিউ শেয়ারিং মডেলে আপনি মার্চেন্টকে সেল এনে দিচ্ছেন। তারপরে সে তার সেই বিক্রি করা টাকা থেকে আপনার সাথে রেভিনিউ শেয়ার করছে। ফলে এক্ষেত্রে মারচেন্ট ইতোমধ্যে কনফার্ম হয়ে গেছে যে তার সেল আপনার মাধ্যমে হয়ে গেছে এবং তখন সে একটি বড় কমিশন দিলেও তার টেনশনের কিছু থাকে না।

 

এখন কথা হল আপনি কোন ধরনের মার্কেটিং চুজ করবেন! দেখেন এখানে মূল যে ব্যাপারটি সেটি হল যে আপনি যদি লং-টার্ম এ বড় কিছু করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার রেভিনিউ শেয়ারিং মডেলের দিকে যাওয়া উচিত। এটি আমার পার্সোনাল অপিনিওন।

 

আবার আরেকটি জিনিস বলতে পারি সেটি হলো অনেক প্রোডাক্ট যেখানে মার্চেন্ট তাদের প্রোডাক্ট এর জন্য উভয় ধরনের অ্যাফিলিয়েট সিস্টেম চালু রাখে তার মানে হল যে একই সাথে সিপিএ মার্কেটিং আবার রেভিনিউ শেয়ারিং মডেল দুটিই চালু থাকে।

 

যেমন একটি উল্লেখযোগ্য প্রোডাক্ট হলো গ্রামারলি (Grammarly) যেটি একটি গ্রামার চেকার। এই প্রডাক্টটি আমি আমার ইংলিশ সাইটসমূহে প্রায়শই প্রমোট করি এবং লিড জেনারেট করার জন্য পাই ২০ সেন্ট আর সেল করার জন্য পাই ২০ ডলার করে।

 

ফিজিক্যাল না ডিজিটাল প্রডাক্ট নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন?

এফিলিয়েট মার্কেটিং আপনি চাইলে ফিজিক্যাল বা ডিজিটাল বা উভয় ধরণের প্রডাক্ট নিয়ে করতে পারেন।

 

ফিজিক্যাল প্রডাক্ট নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চাইলে আমাজন হতে পারে আপনার জন্য সবথেকে ভাল কারন এখানে অজস্র প্রডাক্ট রয়েছে যার থেকে আপনি আপনার প্রডাক্ট পছন্দ করে নিতে পারবেন।

 

এখন কথা হল আপনি কোন ধরণের প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন! ফিজিক্যাল প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করার অন্যতম কারন হতে পারে যে এটি খুব বেশি বিক্রি করা যায় তবে এ থেমে কমিশন অনেক কম হয়।

 

অপরদিকে ডিজিটাল প্রডাক্ট তুলনামূলকভাবে কম বিক্রি হলেও এর কমিশন অনেক বেশি হয়ে থাকে।

 

তাই আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী প্রডাক্টটি বেছে নিন।

ক্লাস ৬ঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং নিশ বাছাই কিভাবে করবেন?

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সেরা নিশ কোনটি?

 

একটি নিশ নাকি মাল্টি নিশ নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন?

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য নিশ বাছাই করার উপায়!

 

ক্লাস ৭ঃ নিশ সাইট কিভাবে তৈরি করবেন?

ওয়েবসাইট ছাড়া কি এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায় বা এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কি আপনার ওয়েবসাইট দরকার হবে?

 

আপনার এফিলিয়েট নিশ সাইটের নামটি কেমন হওয়া উচিৎ?

 

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরির পদ্ধতি!

 

ক্লাস ৮ঃ ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট ব্যবহার করা শিখুন

একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট কিভাবে ব্যবহার করতে হয়?

 

ক্লাস ৯ঃ নিশ সাইটটি সুন্দরভাবে সাজিয়ে নিন (থিম ও প্লাগিন)

 

আপনার সাইটটিকে রকেটের মত দ্রুতগামী করার সহজ উপায়!

 

ক্লাস ১০ঃ অনপেজ ও অফপেজ SEO শিখুন

seo কি

এস ই ও কোর্স

এস ই ও ট্রেনিং

 

ক্লাস ১১ঃ কন্টেন্ট রাইটিং শিখুন বা কন্টেন্ট রাইটার হায়ার করুন

 

ক্লাস ১২ঃ আপনার সাইটে ট্রাফিক বা ওয়েব ভিজিটর আনুন

কোন ধরণের ট্রাফিক থেকে সবথেকে বেশি এফিলিয়েট সেল পাওয়া যায়

 

ক্লাস ১৩ঃ নিশ রিলেটেড বিভিন্ন এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হোন

এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হতে কি কোন টাকা লাগে?

না। এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রামে যুক্ত হতে কোন টাকা লাগে না। আপনি কোন এফিলিয়েট প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করলে তারা অটোমেটিক বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আপনার আবেদনটি যাচাই-বাছাই করে আপনাকে এক্সেপ্ট করতে পারে।

 

আপনার আবেদনটি গ্রহনযোগ্যতা তখনই পাবে যখন আপনার সাইটটি যথেষ্ট পরিমাণে মানসম্মত হবে। যাই হোক কোন টাকা খরচ ছাড়াই আপনি যে কোন এফিলিয়েট প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারেন।

 

নিচের কন্টেন্টসমূহ দেখুনঃ

  • এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক বলতে কি বুঝায়?
  • এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক নাকি ইন্ডিভিজুয়াল এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হবেন?
  • এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর সুবিধা!
  • নামকরা কিছু এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর নাম জেনে নিন
  • কিভাবে কোন এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হবেন?

 

ক্লাস ১৪ঃ আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক ওয়েবসাইটের কন্টেন্টের বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করুন

এই ক্লাসে আপনি শিখতে পারবেন যে কিভাবে এফিলিয়েট লিঙ্কসমূহ আপনার সাইটে সঠিক উপায়ে ব্যবহার করবেন। আর এর জন্য নিচের কন্টেন্টটি দেখুনঃ

কিভাবে এফিলিয়েট লিঙ্ক ব্যবহার করবেন?

 

ক্লাস ১৫ঃ আপনার ওয়েব ভিজিটরদের ইমেইল এড্রেস ক্যাপচার করুন

 

 

ক্লাস ১৬ঃ সঠিক উপায়ে স্প্যামিং না করে ইমেইল মার্কেটিং করুন

 

 

ক্লাস ১৭ঃ নিয়মিত কনভার্সন এনালিসিস করুন

 

 

ক্লাস ১৮ঃ এনালিসিসের ওপর ভিত্তি করে কনভার্সন রেট অপ্টিমাইজ করুন

 

 

ক্লাস ১৯ঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করুন ও একটি সুন্দর লাইফ লিড করুন

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি কি

পেওনিয়ারের মাধ্যমে টাকা তোলা যায় এমন কিছু এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম ও নেটওয়ার্ক

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কিত আর কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই তা কমেন্ট সেকশনে জানান। আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর খুব শিঘ্রই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন আর কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকলে তা কমেন্টে জানান

5 thoughts on “এফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্সঃ 30,000/- কোর্স [সম্পূর্ণ ফ্রি]”

Leave a Comment