ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় বৃদ্ধির উপায় (যে কোন ব্যবসা)!

ধরেন আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার বা ইউটিউবার বা একজন ব্যারিস্টার বা একটা রেস্ট্রন্টের মালিক। এখন একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আপনার গুডস বা সার্ভিস অর্থাৎ আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি না করতে পারলে কিন্তু আপনি কোন আয়ই করতে পারেন না।

 

যত বেশি আপনি আপনার পন্য বা সেবা বিক্রি করতে পারবেন তত বেশি আপনি আয় করতে পারবেন ব্যাপারটা এমনই তো তাই না?

 

আমাদের দেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার ও ইউটিউবারই তথা যারা অনলাইনে কাজ করে তারাই ডিজিটাল মার্কেটিং ভালমত না জানার কারণে মাঠে মারা পড়ে সেখানে ব্যারিস্টার, রেস্ট্রন্ট মালিকদের কথা তো বাদই দিলাম।

 

যাই হোক আজকের এই পোস্টে দেশের অবহেলিত যত ফ্রিল্যান্সার বা ইউটিউবার আছেন তাদের ডিজিটাল মার্কেটিং এর সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির উপায় দেখাবো।

 

একইসাথে যে সকল মানুষ অফলাইনে বিভিন্ন ব্যবসা করছেন, তারাও কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং কাজে লাগিয়ে ওনাদের ব্যবসার প্রসার ঘটাতে পারেন সেটাও দেখাবো।

 

তো চলুন একে একে ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় বৃদ্ধির উপায়গুলো জেনে নেই।

 

তবে তার আগে ডিজিটাল মার্কেটিং জিনিসটা কি এটা নিয়ে সহজ ভাষায় কিছু কথা বলে নেই।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

দেখুন যারা জানে আর যারা জানে না তারা সমান নয়। আপনি যে জিনিসটা সম্পর্কে জানেন সেটা আপনার কাছে সহজ আর আমি সেটা না জানলে আমার কাছে তা কঠিন।

 

অধিকাংশ মানুষ ডিজিটাল মার্কেটিং শুনলেই ভাবে এটা না জানি কি আর একারণে অনেক অসৎ ডিজিটাল মার্কেটার এমনকি ডিজিটাল মার্কেটিং না জেনেই অনেকে ডিজিটাল মার্কেটার সেজে মানুষদের প্রতারিত করে থাকে।

 

সে যাই হোক ডিজিটাল মার্কেটিং বুঝতে গেলে আগে মার্কেটিং কথাটা বুঝতে হবে। আমাদের দেশে অবশ্য মার্কেটিং বলতে শপিং বা কেনাকাটাকে বোঝানো হয়। যেমন আপনি কাউকে ঈদের সময় বললেন যে কোথায় যাচ্ছ, সে বলবে মার্কেটিং করতে। হাহাহা।

 

অবশ্য এখন অনেকেই এ ব্যাপারে সতর্ক হয়েছেন।

 

তো মার্কেটিং বলতে কঠিন ভাষায় বিপণন আর সহজভাবে বলতে গেলে কোন পণ্য বা সেবা বিক্রির জন্য যা যা করা হয় তার সবই মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত।

 

এই ধরেন একটা গাড়ির কম্পানি নিউজপেপার বা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দিল। এটা তাদের মার্কেটিং এর অংশ কারণ তারা চাইছে এর মাধ্যমে মানুষদেরকে জানিয়ে তাদের গাড়ি বিক্রি করতে।

 

আগেকার দিনে বড় বড় কম্পানি বাদে অন্য কেউ টেলিভিশন বা নিউজপেপারে মার্কেটিং করতে পারতো না কারণ সেখানে অনেক খরচ হত তাই ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা পোস্টার, ব্যানার ইত্যাদির দিকে যেত।

 

কালের আবর্তে এখন মানুষ টেলিভিশনের সামনে কম বসে, নিউজপেপারও অনলাইনে পড়ে, তাই এখন কম্পানিগুলোও তাদের বিজ্ঞাপনের ধরণ পাল্টাচ্ছে।

 

এখন দেখবেন ফেসবুকে গেলেই বিজ্ঞাপন, ইউটিউবে গেলেই আপনার পরিচিত পণ্যের বিজ্ঞাপন। টেলিভিশনের বিজ্ঞাপন রেটও অনেক কমে গেছে।

 

তো ডিজিটাল মার্কেটিং হল এরকম ডিজিটাল প্লাটফর্মে ডিজিটালি মার্কেটিং করা। তো এটা কেমন?

 

এই যেমন আগে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টারিং এর বদলে ফেসবুকের ওয়ালে প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানানো যায়। টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন না দিয়ে ইউটিউবের ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।

 

আর শুধু বিজ্ঞাপনের মধ্যেই বা সীমাবদ্ধ থাকবেন কেন, একটা পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে এখন ডিজিটাল মার্কেটিং করছে প্রায় সব ভাল কম্পানি ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিবর্গ।

 

আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা হল এটা খুবই সাশ্রয়ী তাই যে কেউই এর প্রয়োগ ঘটাতে পারেন। শুধু দরকার প্রয়োজনীয় স্কিল জানার।

 

তার মানে হল একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আপনি আপনার পণ্য বা সেবা বিক্রির উদ্যেশ্যে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যে প্রচেষ্টা চালাবেন সেটাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত।

 

ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটা টার্ম আর শুধু ইন্টারনেট বা অনলাইন ভিত্তিক প্রচারণাকে ইন্টারনেট মার্কেটিং বা অনলাইন মার্কেটিং বলা হয়।

 

তো আমার এই ব্লগে মূলত অনলাইন বা ইন্টারনেট মার্কেটিং বিষয়ক জিনিস নিয়েই আলোচিত হবে যা থেকে আপনারা অনেক উপকৃত হবে বলে আশা রাখছি।

 

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন?

এখন আমি আপনাদেরকে দেখাবো যে আপনি যে ব্যবসার সাথেই জড়িত থাকুন না কেন কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করে তার আয় বৃদ্ধি করবেন।

 

তো এজন্য প্রথমেই দরকার ইন্টারনেটে আপনার একটি শক্তিশালী পরিচিতি। এখন সমস্যা হল অধিকাংশ অফলাইনের ব্যবসায়ী একটা ফেসবুক পেইজ খুলে মনে করেন যে যাক আমার অনলাইনে একটা পেইজ আছে তো ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ শেষ।

আবার অনলাইন ব্যবসায়ীরা যেমন ফ্রিল্যান্সাররা শুধুমাত্র কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে একাউন্ট খুলে কাজ করতে থাকেন আর ভাবেন যে ভালোই তো ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে।

 

এখন সমস্যা এখানে কোনটাই কোন শক্তিশালী পরিচিতি না কেন কারণ হল ফেসবুক এর মালিক হল মার্ক জাকারবারগ আর বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলোর মালিকও আপনি না।

 

তাই দেখা যায় যে কোন ফ্রিল্যান্সারের কোন কারনে একাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলে তার এতদিনের শ্রম, পরিচিত সব নস্ট হয়ে যায়। ফাইভারে এমন কত ভাল ফ্রিল্যান্সারকে দেখলাম যে একাউন্ট টারমিনেশনের পর এখন চাকুরীর জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছে।

 

একইভাবে ইউটিউবের মালিকও আপনি নন, তাই সেখানে যত ভাল আর বড় চ্যানেলই হোক না কেন যে কোন সময় আপনার সমস্যা হতে পারে।

 

তো কিভাবে অনলাইনে একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করা যায়?

 

দেখুন এটা করতে গেলে আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার বা ইউটিউবার হন সেক্ষেত্রে আপনার নিজের নামে বা আপনার চ্যানেলের নামে একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট চালু করতে হবে।

 

একইভাবে অফলাইনের ব্যবসায়ীদের এখন থেকেই একটা বিজনেস ওয়েবসাইট চালু করতে হবে।

 

এর কারণ কি?

 

দেখুন এর কারণ হল আপনার ব্যবসার অনলাইনে এমন একটা জায়গা দরকার যেটা সম্পূর্ণই আপনার অধিনে থাকবে। এটা ঠিক অফলাইনে আপনার নিজস্ব অফিস ভাড়া নেওয়া বা বানানোর মত যেখানের ঠিকানা আপনি সবাইকে দিতে পারবেন আর সবাই একবারেই সেখানে যেয়ে আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে জানতে পারবে।

 

এখন মানুষ আর সময় নিয়ে ফিজিক্যালি কোন অফিসে যাবার আগে তাদের সম্পর্কে অনলাইনেই জেনে নিতে চান। আর তখন গুগলে সার্চ দেন।

 

যখনই গুগলে সার্চ দিয়ে সেই কম্পানির কোন ইনফরমেশন তাদের নিজস্ব সাইটে পায় না তখন মনে করেন যে এটা তেমন ভাল কোন ব্যবসা নয়।

 

একজন ব্যরিস্টার কিন্তু তার নিজের নামে একটা ওয়েবসাইট রাখতে পারেন এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ওনার ক্লায়েন্টদের সেখানে এনে সহজেই ব্যবসার প্রসার ঘটাতে পারেন।

 

একইভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার যদি তার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই একটা পার্সোনাল প্ল্যাটফর্ম ক্রিয়েট করতো তাহলে তার আর কোন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মের ধরনা ধরে থাকতে হতো না। সরাসরি আরো ভাল রেটে ক্লায়েন্ট পেত যেখানে মধ্যভোগী হিসেবে কোন মার্কেটপ্লেসকে আয়ের একটা অংশ দিয়ে দিতে হতো না।

 

একটা সুপার স্টোরও চাইলে একটা ই-কমারস সাইট গ্রো করে অনলাইনে অর্ডার নিতে পারতো। সেক্ষেত্রে এককভাবে শুধু দারাজ বা বিক্রয় ডট কমের কাছে আটকা থাকতো না।

 

যাই হোক এই পোস্টে আমি শুধু ভাসা ভাসা নলেজ দিচ্ছি আর পরবর্তীতে এসব বিষয়ে আলাদা আলাদা করে বিশদ আলোচনা করবো।

 

এখন অনলাইনে আপনার একটা শক্ত পরিচিত দাড় করালে কি হয়?

 

দেখুন প্রথমে আপনার একটা নিজস্ব জায়গা বা ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরির পর সেটাকে একটা জমি কেনার মতই মনে করতে হবে কারণ সেটা একান্তই আপনার।

 

এবার এই জায়গা বা ওয়েব এড্রেসে বিভিন্নভাবে ভিজিটর নিয়ে আসতে হবে।

 

এই ছবিটির দিকে তাকানঃ

ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় করুন

দেখুন এখানে সবার মাঝখানে গোল দাগ দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটকে বোঝানো হয়েছে। এবার এখানে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সোর্স থেকে ভিজিটর তথা আপনার কাস্টমার নিয়ে আসতে হবে।

 

এখানে ফেসবুকসহ অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়া থেকে SMM (Social Media Marketing) বা সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে মানুষ আপনার সাইটে নিয়ে আসতে পারবেন।

 

ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে আপনার সাইটে ভিজিটর আনতে পারবেন।

 

গুগল থেকে SEO (Search Engine Optimization) বা SEM (Search Engine Marketing) এর পেইড মার্কেটিং এর মাধ্যমে ভিজিটর আনতে পারছেন।

 

এছাড়াও ইমেইল মার্কেটিং বা যে কোন ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর মাধ্যমেও আপনার সাইটে লোক ভেড়াতে পারছেন।

 

এতে করে কি হচ্ছে? এতে করে হচ্ছে কি অগনিত মানুষকে আপনি একটা সেন্টারে বা নির্দিষ্ট জায়গায় ডিরেক্ট করছেন যেখানে আপনার পণ্য বা সেবার বিবরণ দেওয়া আছে আর যত বেশি মানুষ সেই জায়গা তথা আপনার সাইটে যাচ্ছে তত বেশিই আপনার বিক্রি বেড়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

আর দিনে দিনে অনলাইনে একটা শক্ত-পোক্ত পরিচিত থাকবার কারণে কেউ চাইলেই আপনাকে অনলাইনে পেয়ে যাচ্ছে। এতে করে আপনার ব্যবসাও হুহু করে বাড়তে থাকবে।

 

আতশী কাচ দেখেছেন? সূর্যের তাপ যখন একটা বিন্দুতে নেওয়া হয় তখন কাগজে আগুন ধরে যায় আর তখনই শুরু হয় একশন! ঠিক একইভাবে যখন আপনি আপনার কাস্টমারদের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় ডিরেক্ট করতে পারবেন তখনই শুরু হবে ব্যবসার প্রসার।

 

যেমন ধরেন এই করোনা কালীন মহামারীতে যেসব রেট্রন্ট বা দোকান বন্ধ রয়েছে তারা যদি আগে থেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করতো তারা কিন্তু অনলাইনে থেকেই তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারতো কারণ বিভিন্ন উপায়ে টার্গেট কাস্টমারদের ঠিক ওয়েবসাইটে আনা সম্ভব হতো।

 

আমি একে একে কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে বেশি বেশি ট্রাফিক আনতে হয় বা ইউটিবে কিভাবে ভিউ বাড়াতে হয় তার অনেকটাই না জানা বিভিন্ন হ্যাক শেয়ার করবো তাই এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব

তো এতোক্ষণের আলোচনার পর ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন? তবে এখন আরো একটু খোলাসা করে এর গুরুত্ব বলছি।

 

দেখুন আজকাল অধিকাংশ মানুষ ইন্টারনেটে সময় কাটায়। আপনি হয়তো কারো সাথে ভাইবার বা ইমোতে কথা বলছেন, ফেসবুক চেক করছেন, গুগোলে কিছু সার্চ করছেন।

 

এখন মানুষ কিছু কেনার আগেও আগে গুগোলে সার্চ দিয়ে তার সম্পর্কে দেখে নেয়। তো কেউ ধরেন কিছু কেনার আগে গুগোলে যেয়ে সার্চ করলো আর সেখানে প্রথম পেইজে ১০ টা ওয়েবসাইটের লিংক পেল। তো এক্ষেত্রে প্রথম পেইজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেই কিন্তু সেই পণ্য কেনার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে কারণ সে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছে।

 

আমি একসময় ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে ৩০ এর ওপর ওয়েবসাইট তৈরির কাজ পেতাম তবে যেহেতু কোন ক্লায়েন্টের কাজ করতে ঝামেলা বোধ হয় তাই এখন আর তা করিনা, তবে এটা খুবই সুন্দর একটা পদ্ধতি আর দিনে দিনে অধিকহারে মানুষ এটা বুঝতে সক্ষম হচ্ছে।

 

তো ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আপনি দুইভাবে কাজে লাগাতে পারেনঃ

১) আপনি আপনার নিজের ব্যবসার প্রসারে ডিজিটাল মার্কেটিং কাজে লাগাতে পারেন বা

২) অন্য কোন ব্যবসায়ীর কাছে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং সেবা বিক্রি করতে পারেন যে হয়তো নিজে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারছেন না বা সময় পাচ্ছেন না।

 

নেইল প্যাটেল নামক একজন ডিজিটাল মার্কেটার আছেন যিনি ওনার ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের তার ডিজিটাল মার্কেটিং সেবা বিক্রি করে মাসে মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করেন।

 

তাই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখলে আপনি উভয়দিক দিয়েই লাভবান হতে পারেন।

 

তো যাই হোক প্রারম্ভিক কিছু পোস্টে এ ব্যাপারে হালকা ধারণা দিলাম তবে নিয়মিতভাবে এ ব্যাপারে পোস্ট দিতে থাকবো যা থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং একেবারে হাতে-কলমে শিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

 

আজকে এ পর্যন্তই। ভাল লাগলে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যাদেরকেও তা জানিয়ে দিন কারণ নলেজ এমন একটা জিনিস যা যত শেয়ার করবেন তা ততই বর্ধিত হবে আর এর থেকে বেশি বেশি মানুষ উপকৃত হতে পারবে।

26 thoughts on “ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় বৃদ্ধির উপায় (যে কোন ব্যবসা)!”

  1. আসসালামু আলায়কুম স্যার। ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেসিক টা বুঝতে পেরেছি। আপনি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করার মাধ্যমে নিজের পরিচিতি করতে বলেছেন। কিন্তু ব্লগ বা ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরী করবো তা জানাবেন। আর ওয়েবসাইটের এডড্রেস বা ডোমেইন কিভাবে পাবো তা নিয়ে জানালে আরো উপকার পাবো। ধন্যবাদ স্যার।

    Reply
  2. আমি ৩ বছর আগে ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলাম।
    এবং প্রতারনার সীকার হয়ে বন্ধ করে দিয়েছিলাম।
    দয়াকরে আমাকে নির্ভর যোগ্য ডোমেইন/হোসটিং সাইট নেয়ার সাজেশন দিবেন।
    এবং ওয়েব সাইট বানিয়ে দিবে এমন কোন প্রতিস্হান/লোক কম খরচে।
    সাজেশন দিবেন দয়াকরে।
    আমার ব্যবসার ধরন : মোবাইল ফোন, সিসি টিভি ক্যামেরা এবং ইলেকট্রনিকস সামগ্রী।
    JS Enterprise
    Md Jakir Hossain
    Mirpur-1

    Reply
  3. ভালো লাগছে, আলহামদুলিল্লাহ।
    আশাকরি শিখতে পাড়ব।
    ধন্যবাদ।

    Reply
  4. আমার অনেক শেখার ইচ্ছা কিন্তু তেমন কোন সোর্স পাচ্ছি না। আশা করি আপনার কাছ থেকে হাতেখড়ি থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত শিখতে পারব, ইনশাআল্লা। আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুক।

    Reply
  5. ভাইয়া আমার কোন প্রাথমিক ধারনা নাই। আমি কি পারবো???

    Reply
  6. আসসালামু আলায়কুম ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেসিক টা বুঝতে পেরেছি। আপনি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করার মাধ্যমে নিজের পরিচিতি করতে বলেছেন। কিন্তু ব্লগ বা ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরী করবো তা জানাবেন
    ধন্যবাদ

    Reply
  7. আসসালামু আলাইকু, ভাইয়া website কিভাবে তৈরী করতে হয়?

    Reply
  8. YouTube এবং blogging tutorial টি নিয়মিত চালিয়ে যাবার অনুরোধ করছি।
    الله حافظ

    Reply
  9. Zaman vai apnake Allah Onek din bachaya rakhuk… Apni manuser jonno onek kosto kortesen. ekhon kew free te eto mulloban kotha bole na ba kono valo idea dicce na… Sekhane apni eai hotas manusder pase dariye onek important bisoy gula share kortesen. Just love you bro… Insallah, Allah will help you for helping people around…

    Reply
  10. এস.এম.এন জামান ভাই,
    সত্যি লেখাটি অসাধারণ হয়েছে। অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম, আপনার ইংরেজি সাইটটিতে নতুন কোন লেখা নেই কেন? আজ আপনার এই সাইটটি খুঁজে পাবার পর কারণটা পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারলাম। খুব ভালো একটা উদ্যোগ। বাংলা ভাষায় ব্লগিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আরো ভালো কিছু প্রকাশনার অপেক্ষায় রইলাম।

    Reply

Leave a Comment