ঘরে বসে রোজগারের উপায়সমূহ সম্পর্কে আলোচনা হবে আজ

“ঘরে বসে রোজগারের উপায়” টাইটেলটা শুনেই মনে হয় আমাকে পাগল ভাবছেন। বলছেন, মানুষ বছরের পর বছর ঘুরে ঘুরে একটা কাজ পাচ্ছে না, আর উনি এসেছে ঘরে বসে রোজগারের কথা নিয়ে।

 

একটা কথা বলি আপনাদের। যারা আসলে সারা বছর কাজ খুঁজে খুঁজে সময় নষ্ট করেও কাজ পায় না। এদের আসলে কিছু করে খাওয়ার কোন ইচ্ছাশক্তিই নেই। তাই কোন কাজই খুজে পায় না।

 

বিল গেটস এর নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই। সে বিশ্বের সেরা ধনী। সে ভার্সিটির একজন সাধারণ ছাত্র ছিল। যে কিনা পড়ালেখায় মনোযোগি ছিল না। কিন্তু তার নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার প্রবল ইচ্ছা ছিল। যার ফলশ্রুতিতে তিনি এখন নিজের জন্য নয়, অন্যদের চাকুরী দিচ্ছেন।

 

তাঁর ইচ্ছাশক্তি ছিল কিছু করার। তাঁর ইচ্ছা ছিল নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার। তাঁর ইচ্ছা ছিল রোজগার করার। এনাদের মত লোকেরা পারলে আপনি কেন পারবেন না?

 

চা ওয়ালা থেকে যদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায়। তাহলে আপনি কেন পারবেন না। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন। আর গাধার খাটনির মত চাকুরী না খুজে নিজে কিছু করার চেষ্টা করুন। অবশ্যই সাফল্য আপনার কাছে ধরা দেবেই।

 

আমি আপনাদের ঘরে বসে রোজগারের কিছু কাজ দেখাবো। এর মধ্যে আপনি যদি কোন একটা কাজ নিজের মত করে চালিয়ে যেতে পারেন। তাহলে আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, সফলতা আপনার নিশ্চিত।

 

মনে করতে পারেন, আমি এমন কে যে গ্যারান্টি দিয়ে কথা বলছি? আমি এমনই একজন যে কিনা নিজ চোখে খুব কাছ থেকে অনেক সফল মানুষগুলোকে দেখেছে। আর সেই পথ ধরে আমিও আজ স্বাবলম্বী।

 

তবে সব কথার এক কথা হল, আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। লেগে থাকতে হবে। তা না হলে কিছুই করতে পারবেন না।

 

অনলাইনের কাজের কথা অনেকেই শুনেছেন। অনলাইন এমন একটা মাধ্যম যেখানে শুধু ঘরে বসেই না, পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে আপনি আপনার কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

 

কিন্তু অনলাইনে কাজ কিভাবে করে, কেমন করে শুরু করে, কি কি লাগে, কি কি জানা দরকার এর কিছুই হয়তো আপনি জানেন না। আমি আজ এই সকল বিষয় তুলে ধরবো আমার এই এক পোস্টেই। যা আপনাকে বেসিক ধারনার পাশাপাশি কিভাবে আয় শুরু করবেন সেটাও ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দেবো।

 

তবে ঘরে বসে আয় করার জন্য আপনার প্রথমেই যা লাগবে সেটা হল- কম্পিউটার বা ল্যাপটপ, স্মার্ট ফোন ও সাথে ইন্টারনেট সংযোগ।

 

ঘরে বসে রোজগারের উপায়!

নিচে আমি ঘরে বসে রোজগারের কিছু উপায় বিস্তারিত আলোচনা করলাম। শেষ পর্যন্ত ভাল করে পড়তে হবে। তা না হলে আপনি কিছুই করতে পারবেন না। কারণ অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী। তাই পুরোপুরি কিছু না জেনে মাঠে নামবেন না।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

ঘরে বসে রোজগারের অন্যতম মাধ্যম হতে পারে এফিলিয়েট মার্কেটিং।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি একটি সুন্দর, সাচ্ছন্দ্যময় ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং বিশেষ করে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং বা সিপিএ মার্কেটিং বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয় একটি পেশা।

 

অনলাইন ভিত্তিক একটি কাজের নাম হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। আপনি তো বাজারে কম বেশি নিশ্চয়ই যান। সেখানে বিভিন্ন ধরনের দোকান থাকে। আপনি লক্ষ করে দেখবেন যে, বেশির ভাগ দোকানেই কর্মচারী থাকে। অর্থাৎ দোকান মালিক কিছু লোক টাকা দিয়ে ভাড়া করে রাখে তার দোকানের পণ্য গুলো বিক্রি করে দেওয়ায় সহায়তা করার জন্য।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ঠিক এমনই কাজ। আপনাকে অন্যের প্রোডাক্ট প্রোমোট করতে হবে। কিন্তু এটা করতে হবে সম্পুর্ণই ঘরে বসে। আর এই কাজের জন্য আপনাকে দোকানের কর্মচারীদের মত এক জায়গায় সারাক্ষণ বসে থাকতে হবে না। যাস্ট সামান্য কিছু সময় দিলেই হবে। তারপর আপনি আপনার মত সময় কাটাতে পারবেন।

 

বিষয়টা একটু ভেঙে বলি। অনলাইনে এখন অনেক প্রোডাক্ট বিক্রি হয়। যেমনঃ amazon.com, daraz.com ইত্যাদি সাইটে প্রায় সব ধরনের পণ্যই পাওয়া যায়। এখান থেকে আপনি ঘরে বসেই পণ্য অর্ডার করতে পারবেন এবং ঘরে বসেই অর্ডারের পণ্যটি পেয়ে যাবেন।

 

আপনাকে এই সকল ওয়েবসাইটের প্রোমোটর হিসাবে কাজ করতে হবে। অর্থাৎ এই সকল সাইটের পণ্য আপনাকে বিক্রি করে দিতে হবে। সকল পণ্য বিক্রি করতে হবে তেমন কোন কথা নয়। আপনি আপনার ইচ্ছামত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।

 

এখন মনে মনে ভাবছেন যে কিভাবে বিক্রি করবো? এটা একদমই সহজ কাজ। আপনাকে প্রথমে এই সকল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। তারপর সেখান থেকে আপনার নিজের ইনফরমেশন দিয়ে একটি এফিলিয়েট অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। আপনি যে সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলবেন সেই সাইট থেকে আপনার পছন্দমত কিছু পণ্যের রেফারেল লিংক ক্রিয়েট করে সেই লিংকটা আপনার সাইটের বিভিন্ন জায়গায় পাবলিশ করে দিতে হবে।

 

জানুন! কিভাবে নিজের ওয়েবসাইট খুলতে হয়?

 

কিভাবে লিংক পেতে হবে সেটা অ্যাকাউন্ট খুললেই বুঝতে পারবেন।

 

আপনার এফিলিয়েট লিংকে ঢুকে যদি কেউ পণ্য ক্রয় করে তাহলে আপনি ঐ সাইট থেকে কমিশন পাবেন। এভাবে আপনি যতবেশি লিংক শেয়ার করে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন তত বেশিই ইনকাম হবে।

 

আর লিংক শেয়ার করার পর আপনাকে আর কোন কাজ করতে হবে না। ঐখান থেকেই ইনকাম আসতে থাকবে। তবে আপনার লিংকে যদি কেউ ঢুকে পণ্য ক্রয় না করে তাহলে কিন্তু আপনার কোনো ইনকাম হবে না।

 

এখন কথা হল, টাকা আসবে কোথায়? আপনি যে ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন সেই সাইটের ঐ অ্যাকাউন্টেই টাকা আসবে। এবার কথা হল তাহলে সেখান থেকে টাকা তুলবো কিভাবে বা পাবো কিভাবে? বাংলাদেশী কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা বিকাশের মাধ্যমে টাকা দেয়। আর ইন্টারন্যাশনালি যে সকল ওয়েবসাইট আছে সেগুলো থেকে মাস্টার কার্ড বা ভিসা কার্ডের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। আপনার ঐ সাইটের অ্যাকাউন্টে আপনার ভিসা বা মাস্টার কার্ড অ্যাড করে দিলে নির্দিষ্ট টাইমে আপনি টাকা তুলতে পারবেন।

 

এটাই হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ। মনে হয় এই বিষয়ে ভাল করেই বোঝাতে পেরেছি।

 

আরো ভালভাবে বুঝতে হলে কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হয় এই পোস্টটি পড়ুন।

 

ফ্রিল্যান্সিং

মানুষ যেমন একজনের কাজ করে দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা নেয়। ঠিক তেমনই কাজ হল এই ফ্রিল্যান্সিং। তবে পার্থক্যটা হল- আমরা যে কাজ করি সেটা কাজদাতা দ্বারা নির্ধারিত জায়গায় যেয়ে করি। আর ফ্রিল্যান্সিং এ কম্পিউটার বা ল্যাপটপে বসে কাজ করতে হয় এবং ঘরে বসেই করতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং এ কাজের অভাব নেই। হাজার হাজার কাজ আছে এই সকল প্লাটফর্মে।

 

তবে এই হাজার হাজার কাজের পেছনে লক্ষ লক্ষ লোক রয়েছে। এখানে কাজ করতে হলে আপনাকে অনেক বেশি দক্ষ হতে হবে। কারণ এখানে এই লক্ষ লক্ষ লোকদের সাথে কম্পিটিশন করে কাজ পেতে হবে। বায়াররা কাজ দেবে তাকেই যে ঐ কাজে বেশি দক্ষ, সৎ ও পরিশ্রমী।

 

এখন কথা হল যে, এখানে কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আগেও বলেছি, এখানে হিউজ পরিমাণ কাজ পাবেন আপনি। এই যেমন- গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও মেকার, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, কনটেন্ট রাইটার, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি।

 

আপনার ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে যেয়েই বুঝতে পারবেন কি কি কাজ আছে। সেখান থেকে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে নিতে হবে।

 

এখন কিভাবে আপনি এটা শুরু করবেন?

 

এর জন্য আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং যে কোন সাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় নিজের অরিজিনাল ইনফরমেশন দিতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে গেলে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের কাজ সাইট থেকে দেখতে হবে। তারপর নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য এপ্লাই করতে হবে। বায়ার আপনার কাজ দেখে যদি খুশি হয় তাহলে আপনার কাজই নেবে এবং আপনাকে পে করবে।

 

এই সকল সাইট থেকে অর্জিত আয় আপনার ঐ সাইটের অ্যাকাউন্টেই যোগ হবে। তারপর সেটা ভিসা বা মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে তুলতে পারবেন। তাছাড়া আরো অনেক মাধ্যম আছে টাকা তোলার জন্য। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পেপাল অ্যাকাউন্ট।

 

ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে নিশ্চয়ই ক্লিয়ার ধারণা পেয়েছেন।

 

ড্রপশিপিং

ড্রপশিপিংটা প্রায় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মত। তবে পার্থক্য হল- ড্রপশিপিং এর মাধ্যমে আপনাকে শুধুমাত্র কাস্টমার জোগাড় করে এনে দিতে হবে সেলারদের কাছে।

 

মনে করুন একজন লোক আপনাকে এসে জিজ্ঞেস করলো ভাই, ভাল চাউল পাওয়া যাবে কোন দোকানে। আপনার জানা থাকলে অবশ্যই কোন একটা দোকান তাকে সাজেস্ট করবেন।

 

ঠিক এমনই হল ড্রপশিপিং এর কাজ। তবে এটা অনলাইনেই করতে হবে। আপনাকে আপনার কোন স্যোসাল মিডিয়া বা অন্য কোন মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বায়ার পৌছে দিতে হবে। এর জন্য আপনাকে অনলাইন বা অফলাইন যে কোন মাধ্যমের প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে কাজ করতে হবে। আপনি যে সকল প্রতিষ্ঠানদের সাথে যোগাযোগ করবেন সেই সকল প্রতিষ্ঠানদের কাছ থেকে তৈরি একটা বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে আপনার স্যোসাল মিডিয়ায় বা অন্য কোন মাধ্যমে। আপনি যাস্ট কাস্টমার তাদের কাছে পৌছে দিতে পারলেই কমিশন পাবেন।

 

ব্লগিং

লেখা লেখির হাত অনেকেরই আছে। অনেকেই লিখতে অনেক পছন্দ করেন। আর এই লেখা লেখি করে আপনি ঘরে বসে অনেক ইনকাম করতে পারেন। কোন ঘটনা, কোন নিউজ বা কোন টিউটোরিয়াল নিয়ে লিখতে পারেন আপনার কোন সাইটে।

 

এই লেখা লেখি করতে হবে খাতা কলমে নয়, অনলাইনে আপনার নিজের সাইটে। আপনার একটা ব্লগ খুলতে হবে। তারপর সেখানে বিভিন্ন অ্যাট্রাক্টিভ লেখা পোস্ট করতে হবে। আপনার এই সকল পোস্ট যত লোক দেখবে তত ইনকাম হবে ঘরে বসেই। তবে ইনকাম শুরুর আগে আপনাকে বেশি বেশি ভিউয়ার আনতে হবে। তাহলে আপনি ইনকামের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন।

 

জেনে নেওয়া ভাল! কিভাবে ব্লগ খুলতে হয়?

 

ইনকামটা আসবে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে। আপনার সাইট যখন অ্যাডসেন্সের সাথে অ্যাড করে দেবেন তখন অ্যাডসেন্স আপনার সাইট এপ্রুভ করলে ঐ সাইটে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন শো করবে। আর যত বেশি ভিউয়ার বিজ্ঞাপন দেখবে তত বেশি ইনকাম হবে। আর ইনকামটা অ্যাডসেন্সে অ্যাড হওয়ার পর সেটা আপনি অনলাইন সাপোর্টেড যে কোন ব্যাংকের মাধ্যমে তুলতে পারবেন।

 

আশা করি মোটামুটি ভাবে ব্লগিং নিয়ে বোঝাতে পেরেছি।

 

অ্যাডসেন্স

গুগলের এড নেটওয়ার্ক এডসেন্স ঘরে বসে রোজগারের আরেকটি ভাল মাধ্যম হতে পারে।

 

এডসেন্স এর আওতায় আপনি ৬৫% সিপিসি বা কস্ট পার ক্লিক পাবেন যেটার মাধ্যমে অনেক আয় করা সম্ভব যেটা সম্পুর্ণ প্যাসিভ ইনকাম।

 

অ্যাডসেন্স সম্পর্কে হয়তো অনেকের জ্ঞান আছে আবার অনেকের নেই। অ্যাডসেন্স হল গুগলের একটি অ্যাড নেটওয়ার্ক। অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপন দাতা। আপনার কোন সাইট বা অ্যাডসেন্স এপ্রুভ করে এমন কোন মাধ্যম থাকতে হবে এর জন্য। অ্যাডসেন্স ঘরে বসে রোজগারের জন্য অনেক জনপ্রিয়।

 

আপনি যখন ইউটিউব দেখেন তখন ভিডিও এর উপর ঠিক নিচে একটা বিজ্ঞাপন দেখা যায়। আবার অনেক সময় ভিডিওটির মাঝখানে অথবা শুরু প্রথমে বিজ্ঞাপন আসে। মাঝে মাঝে ভিডিওটির ডান পাশেও বিজ্ঞাপন আসে। ভাল করে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন যে, ওই সকল বিজ্ঞাপনের উপর লেখা আছে যে,

 

মূলত অ্যাডসেন্সই এই সকল অ্যাড দেখায়। আর যাদের ভিডিও এর উপর আপনি এই সকল অ্যাড দেখেন তাদের ইনকাম হয়।

 

এখন আপনি কিভাবে এই রকম ভাবে আয় করতে পারবেন?

 

আপনার ইউটিউব চ্যানেল বা কোন সাইট বা কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনের গেম বা অ্যাপস থাকতে হবে। যার মালিক হতে হবে শুধু মাত্র আপনারই। কারণ অন্য কারোর জিনিস অ্যাডসেন্স এপ্রুভ করে না। অ্যাডসেন্সে এপ্রুভ করে দিলেই আপনার ঐ সকল মাধ্যমে অ্যাড শো হবে। আর যত বেশি ভিউ আসবে তত বেশিই ইনকাম হবে আপনার।

 

এই ইনকামের টাকা আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টেই অ্যাড হবে। অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে আপনার অনলাইন সাপোর্টেড যে কোন একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অ্যাড করে দিতে হবে। অ্যাডসেন্সে মিনিমাম ১০০ ডলার না হলে টাকা তোলা যায় না। ১০০ ডলার হয়ে গেলে বা তার বেশি হলেও আপনি টাকা তুলতে পারবেন। প্রতি মাসের ২১ তারিখের দিকে আপনার টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হবে।

 

অ্যাডসেন্সে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রথমে adsense.com এ যাবেন। তারপর আপনার জিমেইল দিয়ে নিজের অরিজিনাল নাম এবং ঠিকানা দিবেন। কারণ অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে ১০ ডলার হয়ে গেলে আপনার ঐ অ্যাড্রেসে একটি পিন সহ চিঠি পাঠাবে অ্যাডসেন্স। ঐ চিঠিতে থাকা পিন আপনার গুগল অ্যাডসেন্সে দিয়ে আপনার অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে। অন্যথা আপনি টাকা তুলতে পারবেন না।

 

ই-বুক

ই-বুক বিক্রি হতে পারে ঘরে বসে রোজগারের এক অন্যতম মাধ্যম। হ্যাঁ আধুনিক এই যুগে আপনি যদি কোন বইয়ের ডিজিটাল ভার্সন বিক্রি শুরু করতে পারেন তবে তা থেকে আপনি খুব ভালো আয় করতে পারেন।

 

স্পন্সরড পোস্ট

স্পন্সরড পোস্ট অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে একটি অনন্য মাধ্যম হতে পারে স্পনসর্ড পোস্ট হল অন্য কারো পোস্ট আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা এবং তার বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট এমাউন্ট গ্রহণ করা।

 

ইউডেমিতে কোর্স বিক্রি

ইউডেমির নাম শুনেছেন হয়তো! হ্যাঁ ইউডেমি হলো একটি এডুকেশন সাইট যেখানে বিভিন্ন কোর্স ভিডিও টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে বিক্রি হয়।

 

সারা বিশ্ব থেকে অজস্র ডিজিটাল শিক্ষক সেখানে তাদের কোর্স আপলোড করে একটি নির্দিষ্ট কোর্স ফি ধার্য করে যখনই কেউ সেই কোর্সগুলো কিনে নেয় তখন সেই শিক্ষক একটি বড় অঙ্কের লাভ গ্রহণ করেন।

 

এভাবে ইউডেমিতে আপনি কোর্স বিক্রি করে ঘরে বসেই আয়ের স্বাদ পেতে পারেন।

 

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং করে আপনি ঘরে বসেই আয় করতে পারেন ওয়েবসাইট ফ্লিপ করে বাংলাদেশ থেকে অনেকে অনেক টাকা আয় করছেন।

 

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং এর ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষই আমাজন এফিলিয়েট সাইটকেই বেছে নেয় কারণ একটু ভালোভাবে খেয়াল করে শুরু করলে কিছুদিনের মধ্যে তা ভালো দামে বিক্রি করা যায় ওয়েবসাইট ফিলিপিং হল ওয়েবসাইট কিছুটা করার পর তা বেচে দেওয়া যায়।

 

আশা করি ঘরে বসে রোজগারের কিছু উপায় মোটামুটি ভাবে বোঝাতে পেরেছি। এর পরেও যদি কোন বিষয় নিয়ে আপনার মনে প্রশ্ন থাকে, তাহলে কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন। আমি আপনাদের সহযোগিতা করবো। সবাই ভাল থাকবেন। আগামীতে আরো ভাল ভাল কনটেন্ট নিয়ে হাজির হব আমার এই সাইটে।

 

ধন্যবাদ

আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান আর ভাল লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন

Leave a Comment