ওয়েবসাইট তৈরির খরচ [অনেক কমেই পেতে পারেন আপনার সাইট]

আপনারা যারা আপনাদের ব্যবসা বা পার্সোনাল ওয়েবসাইট তৈরী করার কথা ভাবছেন তাদের মাথায় একটা প্রশ্ন আসে আর তাহলো একটি ওয়েবসাইট বানানোর খরচ কত।

 

তো কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জানলে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের খরচ সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পেতে পারেন।

 

তাই আমার আজকের এই পোস্টে আমি শেয়ার করছি যে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করতে কেমন খরচ হতে পারে।

 

অনেকেই এ ব্যাপারে না জানার ফলে তাদের কাছ থেকে ১৫০০০ – ২০০০০ টাকা চার্জ করা হয়।

 

তাহলে শুরু করা যাক।

 

ওয়েবসাইট তৈরির খরচ!

একটি ওয়েবসাইট তৈরিতে কত খরচ পড়বে তা কয়েকটি জিনিসের ওপর নির্ভর করে।

 

তো আপনি যদি ওই জিনিসগুলোর আলাদা আলাদা দাম বের করতে পারেন, তবে খুব সহজেই আপনার সাইটের কস্টিং বের করে ফেলতে পারবেন।

 

তাহলে এখন জেনে নেই যে একটি সাইট তৈরিতে কি কি জিনিসের প্রয়োজন হয়।

 

একটি সাইট তৈরী করতে নিম্নোক্ত জিনিসগুলো প্রয়োজন –
১. একটি ডোমেইন ১০ – ১২ ডলার (৮০০ থেকে ১০০০ টাকা)

২. একটি হোস্টিং প্যাক (সরাসরি আমেরিকান হোস্টিং ১৩০০ টাকা থেকে শুরু)

৩. একটি SSL সার্টিফিকেট (১৫০ টাকা থেকে শুরু)

৪. একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ফ্রি)

৫. একটি প্রিমিয়াম থিম ৩৫ থেকে ৫০ ডলার (৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকা) ও

৬. কিছু প্লাগিনস (ফ্রি প্লাগিন্সই যথেষ্ট)

৭. ওয়েব সাইট ডিজাইনার (বেসিক কাজের জন্য ৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকা)

 

শিখে নিন কিভাবে একটি ওয়েবসাইট খোলা যায়!

 

এখন একটি .com এক্সটেনশনের ডোমেইন এর মূল্য ৯ থেকে ১২ ডলার হয়ে থাকে যার বাংলাদেশী টাকায় মূল্য দাঁড়ায় ৮০০ থেকে ১০০০ টাকার মতো।

 

আর একটি ভালোমানের আমেরিকান হোস্টিং এর দাম ১৩০০ টাকা থেকে শুরু।

 

একটি SSL সার্টিফিকেট প্রথম বছর ১৫০ টাকায় পাওয়া যায়।

 

এবং আপনার সাইটের থিমটি অজস্র ফ্রি অপশন থেকে বেছে নিতে পারেন, তবে আপনি যদি আপনার সাইটের প্রিমিয়াম লুক ও পারফরমেন্স চান, তবে একটি ভালো থিম কিনে নিতে পারেন যা বিভিন্ন দামে পাওয়া যায়।

 

তো আমি যদি প্রথম ৩ টি জিনিস যেমন একটি ডোমেইন, একটি হোস্টিং প্যাকেজ, ও একটি সার্টিফিকেট এর মূল্য যোগ করি, তবে তার সর্বমোট মূল্য হবে –

১০০০ + ১৩০০ + ১৫০ = ২৪৫০ টাকা।

 

এর পর একটি প্রিমিয়াম থিম যা ৪০০০ টাকার মধ্যেই কিনতে পারবেন ও যে আপনার সাইটটি করে দেবে তাকে ৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকা পারিশ্রমিক দিলেই যথেষ্ট।

 

তো মোট খরচ দাঁড়ালো ২৪৫০ + ৪০০০ + ৩০০০ = ৯৪৫০ টাকা

 

পুরো এক বছরের জন্য এটিই সর্বোচ্চ খরচ।

 

আর একটি হাই পারফর্মেন্স ই-কমার্স সাইট তৈরী করতেও প্রায় একই পরিমান টাকা খরচ হবে।

 

তো মাত্র ৯৪৫০ টাকা খরচেই আপনি পেয়ে যেতে পারেন আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট।

 

আপনার ওয়েবসাইট খুলতে আজই আমার সাথে যোগাযোগ করুন: 01797-170200

 

মিস করবেন না! একটি ওয়েবসাইট থেকে আয় করার উপায়!

 

কিছু সতর্কতা!

আপনি আপনার ওয়েবসাইটটি অবশ্যই নিজের একাউন্টে খুলবেন, তাহলে পুরো কন্ট্রোল আপনার হাতে থাকবে।

 

আর আমি সব সময়ই আমার ক্লায়েন্টের নিজের একাউন্টেই ওয়েবসাইট খুলে দেই যাতে করে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ক্লায়েন্টের হাতেই থাকে।

 

কোন লোকাল হোস্টিং কোম্পানির কাছ থেকে খুললে আপনি রিসেলার হোস্টিং পাবেন যেখানে পারফরমেন্স সরাসরি আমেরিকান হোস্টিং এর থেকে অনেক অনেক কম হবে এবং নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হতে পারে।

 

আপনার ওয়েবসাইটের সবকিছুই আমেরিকার বিখ্যাত ডোমেইন রেজিস্ট্রার ও ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি Namecheap এর কাছ থেকে কিনে দেব যাতে করে এর পারফর্মেন্স হয় সেই মানের।

 

তো আপনার সাইটটি নিজের একাউন্টে খুলতে গেলে অবশ্যই একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড থাকতে হবে।

 

আর এ নিয়ে আপনাকে ভাবতেই হবে না কারণ আমাদের মাস্টারকার্ড দিয়েই আপনার সকল পেমেন্ট করে দেওয়া হবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন আর কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকলে তা কমেন্টে জানান

5 thoughts on “ওয়েবসাইট তৈরির খরচ [অনেক কমেই পেতে পারেন আপনার সাইট]”

  1. ভালো লাগলো । আমি একটি ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট বানাতে চাই। সেখান থেকে যাতে আয় করতে পারি। এতে খরচ কেমন আসবে। কন্ট্রোল আমার হাতে থাকতে হবে। আমার কোন কারড নাই।

  2. ডেডিকেটেড সার্ভারের মাসিক ভাড়া কমবেশি ছয় হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে।

    যখনএকই সার্ভার বিভিন্ন সাইট ভাগাভাগি করে, তখন সেটা শেয়ার হোস্টিং। এ ধরনের হোস্টিং ই-কমার্স সাইটের জন্য অনুপযোগী। বেশি মানুষ সাইটে এলেই সার্ভার বসে যায় (ডাউন)। ১০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা ভাড়া এগুলোর।

    যখন একটা ডেডিকেটেড সার্ভারকে ভার্চ্যুয়াল কোনো সফটওয়্যারের মাধ্যমে একাধিক ভাগে ভাগ করে বেশ কটি সার্ভার তৈরি করা হয়, তখন সেটি ভিপিএস নামে পরিচিত হয়। এই একেকটা ভাগ একেকটা স্বাধীন সার্ভারের মতো কাজ করে। ই-কমার্সের জন্য এগুলো ব্যবহার করা যায়। তবে এটার ব্যবস্থাপনা কষ্টসাধ্য এবং হামেশাই ডাউন হয়। ভালো ভিপিএস সার্ভারের মাসিক ভাড়া চার হাজার টাকা থেকে শুরু।

    যখন কোনো ওয়েবসাইট হোস্ট করা হয়, তখন তা একটি সার্ভারে সংর‌ক্ষিত থাকে। কিন্তু ক্লাউড হোস্টিংয়ে সাইটটি একটি সার্ভারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। অর্থাৎ প্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে পারে। তাই একই সময়ে বেশি মানুষ সাইটে গেলেও সার্ভার ডাউন হয় না। তাই ই-কমার্স সাইটের জন্য প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত ক্লাউড হোস্টিং।

    এখানে যে পরিমাণ হোস্টিং খরচ দেখাচ্ছে সেটার সাথে আপনার খরচের অনেক পার্থক্য তাছাড়া এখানে সবগুলো হোস্টিং সিস্টেমই মাসিক ভাড়ায় এই বিষয়টা একটু ক্লিয়ার করলে ভালো হয়

Leave a Comment