আর্টিকেল লিখে আয় করা নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা

হ্যালো ভাই ব্রাদার, কেমন আছেন সবাই? অবশ্যই ভাল আছেন আশা করি। ভাল তো থাকতেই হবে। 

 

আজকের বিষয় “আর্টিকেল লিখে আয়”। অনেকেই হয়তো আর্টিকেল সম্পর্কে ঠিক ভাল ভাবে বোঝেন না। ভাবছেন আর্টিকেলটা আবার কি?

 

A, An ও The এই তিনটা অক্ষর দিয়ে কিভাবে আয় করে? এটাই ভাবছেন তো? না ভাই। আর্টিকেল বলতে আমি এটা বোঝাচ্ছি না। আসুন তাহলে আর্টিকেল বলতে আমি কি বোঝাতে চাচ্ছি সেটা আগে ক্লিয়ার করি।

 

মূলত যে কোন বিষয়ে কিছু লেখাই হল আর্টিকেল। এই যেমন আপনি যদি গরুর একটা রচনা লেখেন তাহলে সেটাকে আপনি গরুর আর্টিকেল বলতে পারেন। আবার আপনি যদি সামনের নির্বাচন নিয়ে কিছু লেখেন তাহলে সেটাকে আপনি নির্বাচনের আর্টিকেল বলতে পারেন। যে কোন লেখা হতে পারে।

 

এখন নিশ্চয়ই বুঝেছেন আর্টিকেল বলতে আমি কি বোঝাচ্ছি।

 

এখন ভাবছেন যে, আর্টিকেল লিখে আবার কিভাবে আয় করে? লোকটা কি পাগল হয়ে গেল নাকি? না ভাই, আমি পাগল হই নি। তবে আমি আপনাদের পাগল করতে চাই আমার আর্টিকেল দিয়ে। কারণ আমি আমার সাইটে এমন এমন বিষয় নিয়ে লিখি যা আপনাকে একজন দক্ষ অনলাইন ইনকাম ম্যান করে ঘড়ে তুলতে হেল্প করবে। আর এটা একদমই ফ্রিতেই।

 

তো মেইন টপিক্সে ফেরা যাক।

 

আর্টিকেল লিখে আয় করার উপায়!

এখন খুবই জনপ্রিয় এবং হিউজ পরিমাণে ব্যবহৃত একটি অনলাইন ইনকাম সোর্স হচ্ছে আর্টিকেল লিখে আয়। আপনি অবশ্যই নিউজ পেপার পড়েন। নিউজ পেপারে যে সকল খবর লেখা থাকে সবগুলোই কিন্তু একজন লেখে না। এক একটি বিষয়ের জন্য এক এক জন ফিক্সড করা থাকে। তারা প্রতিদিনই তাদের বিষয়ে কিছু না কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল লিখে। যা পরে পেপারে পাবলিশ করা হয়।

 

পেপারের প্রতিটা নিউজের শেষে বা প্রথমে দেখবেন যে, ঐ নিউজটা যে লিখে পাঠিয়েছে তার নাম দেওয়া আছে। তো যারা এই সকল আর্টিকেল লেখে তারা একটি নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত লোক। যে বেতন দিয়ে থাকে তাদের নিউজ পেপার কর্তৃপক্ষ।

 

এখন ভাবছেন যে, এরা তো চাকুরী করে। তাহলে আমি কিভাবে আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারবো? আমি তো নিউজ পেপারে চাকুরী করি না।

 

কিন্তু ভাই, আমি আপনাদের এমন পথ দেখাবো যার জন্য আপনাদের চাকুরী করতে হবে না। নিজেই আয় করতে পারবেন আর্টিকেল লিখে ঘরে বসে থেকে।

 

আপনি ওয়েবসাইটের নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। শুনে না থাকলে আমার সাইটে ওয়েবসাইট সম্পর্কে যাবতীয় সকল বিষয় জেনে আসতে পারবেন। আমি খুব সুন্দর ভাবে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কিছু আর্টিকেল লিখেছি। যা পড়লে আপনাকে আর গুগল বা ইউটিউবের দ্বারপ্রান্ত হতে হবে না ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে।

 

তো শুরু করা যাক। আপনি মূলত আর্টিকেল লিখবেন আপনার ওয়েবসাইটে। আপনি একটি ওয়েবসাইট খুলবেন। সেখানে আপনি আপনার নিজের মত করে বিভিন্ন বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন। যা লেখার জন্য আপনার ঘরের বাইরে যাওয়া লাগবে না। ঘরে বসেই একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বা স্মার্ট ফোন দিয়েই লিখতে পারবেন।

 

ওয়েবসাইট কিভাবে খুলতে হবে এবং এর জন্য কি কি দরকার হবে সমস্ত কিছু আমার সাইটে ধাপে ধাপে দেওয়া আছে যেটা থেকে আপনি নিজেই একটি ওয়েবসাইট খুলতে পারবেন।

 

আপনার কাজ হবে আপনার সাইটে বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে লিখে ভিজিটর আনা। অর্থাৎ আপনি যখন কোন একটি বিষয়ে লিখবেন তখন ঐ বিষয়গুলো পড়ার জন্য অনেক লোকই ভিড় করবে আপনার সাইটে। আর যখন অনেক লোক ভিড় করবে তখন আপনার ইনকাম হবে। কিভাবে হবে সে সম্পর্কে নিচে লিখবো। তার আগে কিভাবে শুরু করবেন সে সম্পর্কে একটু বলি।

 

মনে করুন, আপনি একটি নতুন মোবাইল কিনবেন। এখন কোন ব্রান্ডের মোবাইল কিনবেন বা কোন ব্রান্ডের মোবাইলের দাম কেমন সেটা জানার জন্য নিশ্চয়ই গুগলে সার্চ দিবেন। তখন দেখবেন গুগল অনেক সাইট দেখাবে। যে সাইটে মোবাইলের রিভিউ নিয়ে লেখা আছে। আপনি নিশ্চয়ই ঐ সকল সাইটের কোন একটা সাইটে ঢুকবেন মোবাইল সম্পর্কে জানতে।

 

ঠিক এমনভাবে প্রতিদিন কোটি কোটি লোকজন গুগলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সার্চ করে। তাই আপনি যদি আপনার নিজের সাইটে কোন একটি বিষয় বা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখেন তাহলে অনেক লোকই আপনার সাইটে ঢুকবে ঐ বিষয় সম্পর্কে জানতে।

 

এই যেমন আমি আজ যে বিষয় সম্পর্কে লিখছি এবং আমার সাইটে যত বিষয় সম্পর্কে লেখা আছে সবই এক একটি আর্টিকেল। আমার এই আর্টিকেল অবশ্যই আপনি পড়ছেন। শুধু আপনি না, অনেক লোকই আমার এই সাইটে আসতেছে আমার লেখা আর্টিকেল গুলো পড়তে।

 

এভাবে আপনি যদি একটি সাইট খুলে আর্টিকেল লিখতে পারেন। তাহলে আপনার ইনকাম হবে। তবে যে কোন একটি বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখলে ভাল হয়। এই যেমনঃ আমার সাইটের অধিকাংশ আর্টিকেল অনলাইনে ইনকাম সম্পর্কে লেখা।

 

এখন কথা হল যে, আর্টিকেল লিখলাম কিন্তু ইনকাম বা আয় হবে কিভাবে?

 

অনেকভাবেই আর্টিকেল লিখে আপনি আয় করতে পারবেন। তবে আয় করার আগে আপনার ভাল ভাবে আর্টিকেল লেখা শিখতে হবে। শুধু একটা দুইটা নয়, অনেকগুলো আর্টিকেল লিখতে হবে আপনার সাইটে। যখন দেখবেন যে আপনার আর্টিকেলগুলো পড়তে অনেক লোক আসছে তখন আপনি ইনকামের জন্য উপযুক্ত হবেন।

 

নিচে কিছু পদ্ধতি দিলাম যার মাধ্যমে আপনি আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারবেন।

 

বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্স রাইটিং

অনেক মুক্ত পেশার কাজের মধ্যে আর্টিকেল রাইটিং হল অন্যতম। খুব অল্প সময়ে কোন একটি বিষয়ে লিখে হিউজ পরিমাণে ইনকাম করা যায়। আপনার লেখার দক্ষতা যদি অনেক ভাল হয় তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে অনেক কাজ পাবেন।

 

কারণ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে আর্টিকেল লেখার জন্য অনেক ক্লায়েন্ট আপনাকে হায়ার করবে। যারা আপনাকে ঘন্টা ভিত্তিক বা ফিক্সডভাবে পেমেন্ট দিবে। ফ্রিল্যান্সিং এর অনেক সাইট আছে। এই যেমনঃ freelancer.com, upwork.com, fiverr.com, guru.com, belancer.com, peopleperhour.com ইত্যাদি।

 

এসব সাইটে আর্টিকেল রাইটিং সেকশনে অনেক কাজ পাওয়া যায়।

 

বাংলায় আর্টিকেল লেখার জন্য আপাতত কোন ভাল মার্কেটপ্লেস নেই। তবে দিনে দিনে অনেক সুযোগ বাড়ছে বাংলা কনটেন্ট রাইটারদের জন্য কারন অনেক বাংলা সাইটই তাদের কন্টেন্ট লিখবার জন্য বাংলা রাইটারদের হায়ার করছে।

 

আর ইংলিশে আর্টিকেল লিখতে পারলে তো আর কথাই নেই কারণ ইংলিশ আর্টিকেল গুলো সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়। আর বাংলা আর্টিকেল বাংলা ভাষাভাষি লোকদের টার্গেট করে তৈরি করা হয় তাই এর ডিমান্ড সারা বিশ্বব্যাপী।

 

অনলাইন পত্রপত্রিকায় লিখে

বিভিন্ন অনলাইন পত্র-পত্রিকা ইদানীংকালে অসংখ্য রাইটারদের হায়ার করছে। তাই আপনি যদি ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন তবে এ সমস্ত অনলাইন পত্র পত্রিকায় আপনার লেখা সাবমিট করে আয় করতে পারেন। তাই আপনি যদি বর্তমানের পত্রপত্রিকাগুলো সম্পর্কে একটু ধারণা রাখেন তবে তাদের ডিমান্ড অনুযায়ী আপনার লেখা নিয়ে প্রস্তুত হয়ে যান।

 

ই-বুক লিখে

ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক যা দীর্ঘ আর্টিকেলসমূহের সমন্বয়ে গঠিত হয়। আপনি চাইলে আপনার আর্টিকেল লেখার ক্ষমতা দিয়ে ই বুক তৈরি করতে পারেন ও তা একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর কাছে বিক্রি করে আয় করতে পারেন। বিশ্বের অনেকেই ই-বুক সেল করে অনেক আয় করছেন। তাহলে আপনিও ইবুক লিখে আয় করা ট্রাই করতে পারেন।

 

অ্যাডসেন্স

আমার সাইটের নিয়মিত ভিজিটর যারা, তারা অ্যাডসেন্স জিনিসটা সম্পর্কে অনেক আগেই অবগত হয়েছেন। তারপরেও আমি হালকা একটু বলি। অ্যাডসেন্স হল গুগলের অ্যাড নেটওয়ার্ক। এটি মূলত গুগল কন্ট্রোল করে থাকে। অর্থাৎ এটি গুগলের সম্পত্তি।

 

অ্যাডসেন্সের কাজ হল এদের পাব্লিশারদের সাইটে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন শো করা। আপনিও চাইলে অ্যাডসেন্সের একজন  পাব্লিশার হতে পারেন। যার ফলে গুগল আপনাকে তাদের অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে টাকা আয় করা পথ করিয়ে দিতে পারে।

 

আপনি যখন আর্টিকেল লিখবেন এবং সেই আর্টিকেল পড়তে অনেক লোক প্রতিদিন আপনার সাইটে ভিড় করবে তখন আপনি এডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। আপনার সাইটটি এডসেন্স এপ্রুভড হলে আপনি এডসেন্স এর কোড পাবেন জা আপনার সাইটে জুড়ে দিলে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনদাতার বিজ্ঞাপন আপনার সাইটের বিভিন্ন জায়গায় শো করবে যে বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে প্রতিদিন ভিড় করা লোকজন দেখবে।

 

অনেক ভিজিটর ই এ সমস্ত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে যার থেকে সিপিসি অনিযায়ী ৬৫% আপনার ইনকাম আসবে। আয়ের সমস্ত টাকাই অ্যাডসেন্সে অ্যাড হবে যা পরে আপনি আপনার কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে আনতে পারবেন। তবে অ্যাডসেন্সে নিজের সাইট অ্যাড করার জন্য গুগলের কিছু শর্ত মেনে চলতে হয় যা আপনি গুগল থেকেই জানতে পারবেন।

 

তো এটাই ছিল আর্টিকেল লিখে অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয়ের পথ।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকেন তাহলেও আর্টিকেলের সহায়তায় ইনকাম করতে পারবেন কারণ যখন আপনার আর্টিকেল পড়তে ভিজিটর আসবে তখন ঐ সকল ভিজিটদের কাছে আপনার ব্যবহার করা বিভিন্ন প্রডাক্ট রেকমেন্ড করতে পারেন। যখনই তাদের কেউ আপনার লিঙ্ক থেকে আপনার রেকমেন্ড করা প্রডাক্ট কিনতে, তখনই আপনি এফিলিয়েট কমিশন পেয়ে যাবেন। 

 

বুঝতেছেন না? সমস্যা নেই যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানেন তারা অবশ্যই বুঝবেন। কিন্তু যারা বুঝতেছেন না তাদের একটু বুঝিয়ে বলি।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল কোন একটি পণ্য আপনার মাধ্যমে বিক্রি করে দেওয়া। যেমন আপনি যদি অন্য কারো কোন প্রডাক্ট আপনার মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কারো কাছে বিক্রি করতে পারেন, তবে যে কমিশন পাবেন তাই হল এফিলিয়েট কমিশন। 

 

অনলাইনে প্রায় সকল পণ্যতেই এফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু থাকে যেখানে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করা যায়। রেজিস্ট্রেশনের ফলে আপনাকে এফিলিয়েট কোড প্রদান করা হবে যা আপনার সাইটের আর্টিকেলের মাঝে মাঝে বা সাইটের বিভিন্ন জায়গায় লাগিয়ে দেবেন যা বিজ্ঞপন ব্যানার বা টেক্সট হিসাবে দেখাবে। যখন আপনার আর্টিকেল পড়তে এসে কোন ভিজিটর এই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে কোন পণ্য কেনে তখন আপনি কমিশন পাবেন।

 

এভাবে অনেক টাকাই আয় করতে পারবেন। তো এটাই ছিল আর্টিকেল লিখে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় নিয়ে আলোচনা।

 

স্পন্সরশীপ

যখন আপনার আর্টিকেল গুলো অনেক বেশি ফেমাস হবে তখন আপনার সাইটি র‍্যাঙ্ক করার ফলে অনলাইন সহ অনেক অফলাইন প্রতিষ্ঠানও আপনার সাইটে তাদের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য আপনাকে নক করবে। তখন তাদের সাথে ডিল করে আপনি আপনার আর্টিকেলে তাদের প্রডাক্ট প্রচার করতে পারেন। এর জন্য তারা আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণের একটি অ্যামাউন্ট পে করবে।

 

তবে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিগুলো তেমন বেশি পে করে না। কিন্তু বাইরের দেশের প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি বেশি পে করে থাকে। আমি স্পন্সরশীপের মাধ্যমে এক একটা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২৫ ডলার থেকে ১০০ ডলার নিয়ে থাকি।

 

এভাবে আর্টিকেল লিখে স্পন্সশীপের মাধ্যমে আয় করা যায়।

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং

অনেকেই ওয়েবসাইট ফ্লিপিং সম্পর্কে জানেন আবার অনেকেই জানেন না। ওয়েবসাইট ফ্লিপিং হল কোন একটি সাইট খুলে সেটা র‍্যাঙ্ক করিয়ে বেশি দামে বিক্রি করা। কোন একটি সাইট যদি আপনি গুগলে ভাল র‍্যাঙ্ক করাতে পারেন তাহলে সেটা আপনি অনেক গুণ বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন।

 

প্রথমে আপনাকে ডোমেইন ও হোস্টিং কিনে একটা সাইট খুলতে হবে। তারপর সেই সাইটে ভাল ভাল আর্টিকেল লিখতে হবে। এমন সব টপিক্স নিয়ে আর্টিকেল লেখা ভাল যা মানুষ অনেক বেশি চায়। আর এক একটি আর্টিকেল প্রায় ২০০০ বা তার বেশি ওয়ার্ডের হলে ভাল হয় কারণ কেউ যখন কোন বিষয়ের কি-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে তখন ঐ কি-ওয়ার্ড সম্পর্কিত যে সকল সাইটে বেশি লেখা আছে গুগল সেই সাইট আগে দেখায়।

 

তাই বেশি বেশি আর্টিকেল লিখে যখন আপনার সাইট অনেক বেশি জনপ্রিয় হবে এবং প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর আসবে তখন ঐ সাইটটি আপনি আপনার খরচের থেকে প্রায় ১২ থেকে ৩০ গুণ বেশি দামে বিক্রি করে দিতে পারবেন।

 

খরচের কথা শুনে হয়তো অনেকেই অবাক হচ্ছেন কারণ ওয়েবসাইট খোলার জন্য যে কিছু টাকা খরচ করতে হয় সেটা অনেকেই জানে না। মূলত একটি ওয়েবসাইট খুলতে কিছু জিনিস দরকার পড় যার প্রধান দুটি জিনিস হল ডোমাইন ও হোস্টিং। আর সাথে কিছু এক্সটার সার্ভিস অ্যাড করার প্রয়োজন পড়ে সিউকিউরিটির জন্য।

 

একটি ডোমাইন ও হোস্টিং কিনতে কেমন খরচ হয় এবং কিভাবে নিজে নিজে কেনা যায় তার সমস্ত কিছু বিস্তারিত পাবেন আমার সাভি যা ফলো করলে নিজে নিজেই ডোমেইন ও হোস্টিং কিনতে পারবেন।

 

তো আর্টিকেল লিখে এভাবেই ওয়েবসাইট ফ্লিপ করে আয় করতে পারবেন।

 

এই রকম আরো অনেক সিস্টেম আছে আয় করার। তবে আমি যেগুলো নিয়ে আলোচনা করলাম সেই গুলোর মাধ্যমেই ইনকাম করা ভাল। তাছাড়া আপনি যখন আর্টিকেল লেখা শুরু করবেন তখন নিজেই অনেক সোর্স পাবেন ইনকামের জন্য।

 

আজ এই পর্যন্তই। যদি এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া কমেন্ট সেকশন তো আপনারদের জন্য ফাঁকাই আছে মতামতের জন্য। যদি আমার পোস্টগুলো ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিবেন। ধন্যবাদ

আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান আর ভাল লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন

4 thoughts on “আর্টিকেল লিখে আয় করা নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা”

  1. অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। বিশেষকরে নবীনদের জন্য অনেক মূল্যবান তথ্য দিয়ে উপকৃত করেছেন।

  2. ওয়েব সাইট তৈরি করার নিয়ম কোথায় পাব একটু বলবেন Please

Leave a Comment